‘অভিনেতাদের জায়গা দখল করছেন ইনফ্লুয়েন্সাররা’
“অভিনয়শিল্পীর জায়গা ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইনফ্লুয়েন্সাররা”- এমন মন্তব্য করে আলোচনায় ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী নিকি আনেজা। তার মতে, লাখো অনুসারী থাকা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কারণে অনেক প্রতিভাবান অভিনেতা কাজের সুযোগ হারাচ্ছেন এবং ঘরে বসে থাকতে বাধ্য...
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- “অভিনয়শিল্পীর জায়গা ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইনফ্লুয়েন্সাররা”- এমন মন্তব্য করে আলোচনায় ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী নিকি আনেজা।
- তাদের জন্য আরও শক্তি ও সাফল্য কামনা করি।” তবে অভিনয় ও কনটেন্ট তৈরির ক্ষেত্রকে আলাদা রাখার পক্ষে এই অভিনেত্রী।
- ‘নেভার কিস ইওর বেস্ট ফ্রেন্ড’ এবং এর দ্বিতীয় মৌসুমে অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও পরিচিতি ধরে রেখেছেন তিনি।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
“অভিনয়শিল্পীর জায়গা ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইনফ্লুয়েন্সাররা”- এমন মন্তব্য করে আলোচনায় ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী নিকি আনেজা।
তার মতে, লাখো অনুসারী থাকা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কারণে অনেক প্রতিভাবান অভিনেতা কাজের সুযোগ হারাচ্ছেন এবং ঘরে বসে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অভিনয়শিল্পী ও ইনফ্লুয়েন্সারদের নিয়ে নিজের মতামত জানান নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।
‘অস্তিত্ব: এক প্রেম কাহানি’তে ডা. সিমরান চরিত্রে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া নিকি বলেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কাজকে তিনি অসম্মান করেন না; তবে অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্য আলাদা জায়গা থাকা উচিত।
নিকি বলেন, “যখন দেখি অনেক প্রতিভাবান অভিনেতা বাড়িতে বসে আছেন কিংবা লাখো অনুসারী থাকা ইনফ্লুয়েন্সারদের কারণে কাজ হারাচ্ছেন, তখনই আমার খারাপ লাগে।”
নিজের দীর্ঘ অভিনয়-অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমি কোনো কাস্টিং ডিরেক্টর নই। কিন্তু এত বছর এই ইন্ডাস্ট্রিতে থাকার কারণে আমি বুঝতে পারি, কোন অভিনেতা কোন চরিত্রটি ভালোভাবে করতে পারবেন।”
তবে ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রতি তার কোনো বিদ্বেষ নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন নিকি। তিনি মনে করেন, নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করাও পরিশ্রম ও শৃঙ্খলার কাজ।
নিকির ভাষায়, “আমি এসব ইনফ্লুয়েন্সারকে অসম্মান করি না। তারা যা করছে, তা প্রশংসনীয়। প্রতিদিন সকালে উঠে নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করা একটি শৃঙ্খলাপূর্ণ কাজ। আমি তাদের সমর্থন করি। তাদের জন্য আরও শক্তি ও সাফল্য কামনা করি।”
তবে অভিনয় ও কনটেন্ট তৈরির ক্ষেত্রকে আলাদা রাখার পক্ষে এই অভিনেত্রী। তার মতে, দুই ক্ষেত্রের নিজস্ব সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তাই কোথায় অভিনেতা এবং কোথায় ইনফ্লুয়েন্সার কাজ করবেন সে বিষয়ে একটি স্পষ্ট বিভাজন থাকা প্রয়োজন।
টেলিভিশনে নিকি আনেজার ক্যারিয়ার বেশ দীর্ঘ। ‘বাত বান জায়ে’ (১৯৯৫), ‘সি হকস’ (১৯৯৬) ও ‘আন্দাজ’ (১৯৯৬)-এর মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে ‘অস্তিত্ব: এক প্রেম কাহানি’তে ডা. সিমরান চরিত্রই তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।
ব্যক্তিগত জীবনে সন্তানদের সময় দেওয়ার জন্য দীর্ঘ বিরতিও নিয়েছিলেন নিকি। ২০১৭ সালে ‘দিল সাম্ভাল জা জারা’ দিয়ে এক দশক পর টেলিভিশনে ফেরেন তিনি। সে সময় জানিয়েছিলেন, যমজ সন্তানদের বড় করার জন্য সচেতনভাবেই অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ওয়েব সিরিজেও কাজ করেছেন নিকি আনেজা। ‘নেভার কিস ইওর বেস্ট ফ্রেন্ড’ এবং এর দ্বিতীয় মৌসুমে অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও পরিচিতি ধরে রেখেছেন তিনি। এনডিটিভি
© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT
এই সংবাদের মূল তথ্য ও তথ্যের অধিকার Channel i Online-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত উপলব্ধি ও সহজ পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সম্পাদকীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি সংকলন ও প্রস্তুত করেছে।
মোবাইল অ্যাপে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে খবর পড়ুন
স্মার্ট অডিও ন্যারেটর, ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং, অফলাইন মোড এবং দ্রুততম ব্রেকিং নিউজ নোটিফিকেশন পেতে ডাউনলোড করুন আমাদের ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ।