ডারউইন থেকে ম্যাকাই: টেস্ট ক্রিকেটে টাইগারদের নতুন অধ্যায়
সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রতিকূল কন্ডিশনে নিয়মিত টেস্ট খেললে টেস্টে আরও বেশি পরিণত দল হয়ে উঠবে বাংলাদেশ। ডারউইনে দুর্দান্ত জয়, আর ম্যাকাইয়ে হারের পর অজিদের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রতিকূল কন্ডিশনে নিয়মিত টেস্ট খেললে টেস্টে আরও বেশি পরিণত দল হয়ে উঠবে বাংলাদেশ।
- মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, আইসিসির তারপরও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলি যখন যার ক্যালেন্ডারটা খালি থাকবে, তারপর পারফরম্যান্স যখন একটা স্ট্যাবল পজিশনে থাকে তখন যেকোনো দেশ তখন দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলি করার জন্য এগিয়ে আসে।
- এখন চ্যালেঞ্জ, এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের বাইরে আরও ধারাবাহিক সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়া।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রতিকূল কন্ডিশনে নিয়মিত টেস্ট খেললে টেস্টে আরও বেশি পরিণত দল হয়ে উঠবে বাংলাদেশ। ডারউইনে দুর্দান্ত জয়, আর ম্যাকাইয়ে হারের পর অজিদের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়। নান্নুর চোখে, এই সাফল্য টাইগারদের টেস্ট ক্রিকেটকে নিয়ে যাবে নতুন উচ্চতায়। পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে টেস্ট ক্রিকেটে আরও বহুদূর যাবে বলে াস তার।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে যোগ হয়েছে নতুন অধ্যায়। ডারউইনে নতুন এক জয়, এরপর ম্যাকাইয়ে লড়াই সব মিলিয়ে ১-১ সিরিজ ড্র করে টেস্ট র্যাংকিংয়ে ৬ নাম্বারে টিম বাংলাদেশ।
তবে অস্ট্রেলিয়ার নিয়মিত টেস্ট ভেন্যু সিডনি, পার্থ কিংবা মেলবোর্নে র অভিজ্ঞতা এখনো খুব বেশি নেই টাইগারদের। বরং ডারউইন কিংবা টেস্ট ক্রিকেটে নতুন ভেন্যু ম্যাকাইয়ের মতো কন্ডিশনে খেলতে হয়েছে টাইগারদের।
সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ ১-১ করা এটা আমাদের ক্রিকেট ইতিহাসে একটা বিরাট অর্জন। যেকোনো টেস্ট প্লেইং নেশনের জন্য চ্যালেঞ্জ থাকে, যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং অবস্থান থাকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। তো সেই হিসাবে প্রথম টেস্ট ম্যাচ অস্ট্রেলিয়াকে ডোমিনেট করে হারানো প্রতিটা সেশনে, এটা একটা বিরাট অর্জন।
আইসিসির নির্ধারিত সূচির বাইরে বড় দলগুলোর সঙ্গে সফর কিংবা সিরিজ আয়োজন সহজ নয়। তবে অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স ভবিষ্যতে আরও বড় দলের বিপক্ষে র সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন নান্নু।
মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, আইসিসির তারপরও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলি যখন যার ক্যালেন্ডারটা খালি থাকবে, তারপর পারফরম্যান্স যখন একটা স্ট্যাবল পজিশনে থাকে তখন যেকোনো দেশ তখন দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলি করার জন্য এগিয়ে আসে।
অ্যাওয়ে সিরিজের অভিজ্ঞতাই ভবিষ্যতের পথ দেখাবে বাংলাদেশকে। বিশেষ করে ম্যাকাই টেস্টের কঠিন পরিস্থিতিতে লড়াই করার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সামনে আরও ধারাবাহিক হওয়ার প্রত্যাশা সাবেক এই অধিনায়কের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই সিরিজে সাফল্যের সঙ্গে টেস্ট র্যাংকিংয়েও ছয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। নান্নুর মতে, এটি হঠাৎ পাওয়া কোনো সাফল্য নয়; বরং ধারাবাহিক উন্নতির ফল।
সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, যার সাথেই আপনি খেলবেন ওই অ্যাডভান্টেজটা অ্যাওয়ে টিমগুলির নাই। তো সেই জায়গায় কিন্তু আপনি ওইভাবে বলতে পারবেন না আমি কোথায় কোন উইকেটে কোন স্ট্যান্ডার্ডে খেলছি, কোন মাঠে খেলছি। সো আপনাকে প্রস্তুতি নিয়ে যেতে হবে সবসময়। আমরা কিন্তু আমাদের দেখেন পেস বোলিং ইউনিট যথেষ্ট একটা একটা চ্যালেঞ্জ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের। সেই জায়গায় আমাদের ব্যাটসম্যানরা গত সেকেন্ড টেস্ট ম্যাচে যথেষ্ট অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের ডিফেন্ড করতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছে। তো সেই জায়গায় কিন্তু এই যে লার্নিং প্রসেসটা অনেক কিছু শেখার আছে এখানে। আগামীতে যেকোনো অ্যাওয়ে সিরিজে যাওয়ার আগে যে দেশে যাব একটা প্ল্যান করে তখন যাওয়া যাবে।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জয় নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন। এখন চ্যালেঞ্জ, এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের বাইরে আরও ধারাবাহিক সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়া।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও তথ্যের অধিকার এখন টিভি-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত উপলব্ধি ও সহজ পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সম্পাদকীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি সংকলন ও প্রস্তুত করেছে।
মোবাইল অ্যাপে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে খবর পড়ুন
স্মার্ট অডিও ন্যারেটর, ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং, অফলাইন মোড এবং দ্রুততম ব্রেকিং নিউজ নোটিফিকেশন পেতে ডাউনলোড করুন আমাদের ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ।